প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু সালামের মদিনায় হিজরত
প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু সালামের মদিনায় হিজরত
যখন হযরত সাল্লাহু সালাম সম্পর্কে কি করা হয় করা যায়। কিন্তু তাদের মধ্যে দ্রুত লোকেরা বলল এটা অসম্ভব নয়।
কেননা গ্রেপ্তারের কথা হলেও তার সাহায্য-সহযোগিতা কারীগণ আমাদের উপর আক্রমণ করবে এবং তাকে ছাড়িয়ে নেবে।করার চিন্তাও আমাদের জন্য সম্পূর্ণ ক্ষতিকর।
কেননা এই অবস্থায় মক্কার চতুর্দিকে আরগন হযরত সাল্লাহু সালাম এর নৈতিক ও চরিত্র মিষ্টি কথা শুনে পবিত্র কালামে ভক্ত হয়ে পড়বে এবং তিনি তাদের সবাইকে নিয়ে আমাদের উপর আক্রমন করে বসলেন।
অবশেষে পাষণ্ড আবু জাহল হজরত সাল্লাহ সালামকে হত্যা করার জন্য নিজের মতামত পেশ করল যে, প্রতিটি গল্পের 11 জন লোক ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকবে।
তাহলে বনি আবদে মানাফ সালালা সালামের গুরুত্ব প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিরত থাকবে।সবাই এ মত পছন্দ করলো এবং প্রত্যেক গর্ত এতে একজন করে যুবকের কাছে জন্য নির্ধারিত করা হল যে,
অমুক রাতে এ কাজ সমাধান করবে এতে হবে। এদিকে আল্লাহ তাআলা হযরত সাল্লাম কে তাদের পরামর্শ সম্পর্কে সংবাদ জানালেন এবং হিজরতের নির্দেশ দিলেন।
সেরাতে বারাস কাফিরগণ তাদের দূরভিসন্ধি চতুর চতুর্থ পড়ার ইচ্ছা করলো এবং বিভিন্ন করতে বহু যুবক হযরতের বাড়ির অবরোধ করে বসলো।
সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যখন হিজরত ইচ্ছা করলেন এবং হযরত আলী রাসুল সাল্লালাহ সালাম কে চাদর মুড়ি দিয়ে চৌকির ওপর শুয়ে থাকার নির্দেশ দিলেন।যেন কাফিরগণ বুঝতে না পারে যে হর্স সালের আসলাম ঘরে নেই।
এরপর হযরত সাল্লাম যখন ঘর হতে বাইরের তসবির আনলেন, তখন দরজা কাফিরদের এক বিরাট জটলা দেখলেন। তিনি সূরা ইয়াসিন পড়তে পড়তে বাইরে আসলেন এবং যখন,
ফায়ার শাহিন আহুন আহুন লাভ ইউ রুন প্রজন্ত পৌঁছে দেন তখন একটা কয়েকবার পড়লেন, হলে আল্লাহ তা'আলা তাদের চোখের পর্দা ফেলে দিলেন এবং তারা হুজুর সালাম সালাম কে দেখতে পেল পেল না।
তিনি সিদ্দিকি আকবর সালালা সালামের ঘরে পৌঁছে গেলেন। হযরত আবু বক্কর রাসুল সাল্লালাহ সালামের প্রথম থেকেই তৈরি ছিলেন এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে একজন কে তৈরি করে রেখেছিলেন।
হযরত সিদ্দিকে আকবর সালালা সালামের হযরত সাল্লাহু সালাম এর সাথে চলেন। তিনি বাড়ির পেছন দিক আরেকটি জানালা দিয়ে ঘর থেকে বের হলেন এবং শাওননামক মক্কার নিকট একটি পাহাড়ের গুহার দিকে রওনা হলেন।