ভালোবাসার কিছু রোমান্টিক গল্প চৈতি কে নিয়ে
ভালোবাসার কিছু রোমান্টিক গল্প চৈতি কে নিয়ে
চৈত্রের জীবনের শৈশবকাল ________________________ চৈতি ছিল খুব সাধারণ ঘরের, চৈতির বাবা একজন ইস্কুল মাস্টার। মা গৃহিনী। ছেলেবেলা থেকেই তাঁর স্বপ্ন অনেক ভালো শিক্ষিত বাবার মতন একজন টিচার হবে। সেজন্য সে দিনরাত ভালোমতন পরিশ্রম করে পড়াশোনা করেন । মাধ্যমিক শেষ করে এখন সে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করি। সেখানেও সেই ভালো রেজাল্ট করে
চৈতির জীবনের কলেজ লাইভ।___________________________
জাতির জীবনের বেশি বন্ধু বান্ধব ছিলনা।, সে সবসময় লেখাপড়া ব্যস্ত থাকতো। ভালো রেজাল্ট করে কলেজে ভর্তি হল। প্রথমদিনে কোন কিছু ঘটনা রোজকার মতো বাড়িতে চলে আসলাম।
মা জিজ্ঞেস করল চৈতি মা কলেজ কেমন হলো?
উত্তরে: চৈতি বলল মা কলেজ খুব সুন্দর তারপরেও অনেক সুন্দর কলেজের সব বন্ধুবান্ধব। ওখানকার সবাই আমার কাছে আপন মনে হয়। আমাকে খুব ভালোভাবেই সম্বর্ধনা জানিয়েছেন।
দ্বিতীয় দিন চৈতির জীবনের আসলো
________________________________
নতুন অধ্যায়: রোজকার মতন যখন কলেজে যাবে ঠিক কলেজের বারান্দায় একটি লাফাঙ্গা ছেলে মাথায় রুমাল বান্দা টুইস্টক গাড়ি ভাঙ্গাচুরা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে
লাফাঙ্গা চৈতি কে প্রশ্ন করল?
কে কলেজের নতুন এখানকার সবাই আগে আমার ক্লাস নেয় পরে কলেজের ক্লাস নে। হাতে একটা চশমা ঘুরাচ্ছে বলতেছে ঠিক আছে তোমার পুরো বায়ো ডাটা দেও।
চৈতি উত্তর:দিল সামনে গিয়ে একটা থাপ্পর তারপর সে সোজা কলেজে চলে যায়।
লাফাঙ্গা কলেজের টিচার চলে আসায় সে কিছু বলল না।
লাফাঙ্গা ওই কলেজেই পড়ে।
তাই কিছু বলল না সে।
লাফাঙ্গা সবাই তাকে বলে কারণ সে সব সময় ঝগড়া মারামারি করে কিন্তু কলেজের সে এক নাম্বার বয় তার থেকে ভালো স্টুডেন্।
ওই কলেজে যখন টিচার টাকে খুব ভালোভাবে বোঝায় চৈতি তখন উঁকি মেরে দেখে।
লাফাঙ্গা শুয়ে বসে সব সময় চৈতিকে দেখে চৈতির প্রেমে পড়ে যায়।
লাফাঙ্গা বন্ধুবান্ধব বলতে থাকে তুই চৈতির থাপ্পড় খেয়ে প্রেমে পড়ে গেলি?
উত্তর এ লাফাঙ্গা বলে সব ভালোবাসার কি আর গোলাপ ফুলের হয় কিছু কিছু ভালোবাসা চড়-থাপ্পড়ের হয়।
লাফানোর বন্ধুবান্ধব বলল তুই একটা পাগল।?
লাফাঙ্গা উত্তরে: বলল তা বলতে পারিস। চৈতি দিকে লাফাঙ্গা রোজ চেয়ে থাকে।
চৈতি ফিরেও তাকায় না।
চৈতি ভাবে ও আমার জন্য পারফেক্ট না কারণ ওরকে মা বাবা মেনে নেবেনা। তাই চৈতি ওর দিকে তাকায় না।
চৈতির জীবনে রোমান্টিক কত শুরু
______________________________
চৈতি ছিল অনেক সুন্দর এবং খোলামেলা পোশাক পরতে খুব পছন্দ করত সেটাই চৈতি জীবনের কাল । চৈতির একটা বান্ধবী ছিল নাম সুকন্যা সে অসুস্থ এই কথা শুনে চৈতি তাকে দেখতে যাই। তাকে দেখার পরে সে যখন ফিরে তখন নিরজন একটা জায়গার মধ্যে পড়ে যায়।
কিছু মদখোর ওখানে মদ খেতে থাকে হঠাৎ তারা চৈতিকে দেখতে পায়।
মদখোরের চৈতিকে দেখে আর লোভ সামলাতে পারে না তখন তারা পাগলের মতন পড়তে থাকে। চৈতি দু হাত ধরে তারা নিয়ে যেতে লাগল জঙ্গলের ভিতরে।
করের শব্দ শুনে আশেপাশের লোকজনক বুঝতে পারল কিছু একটা হচ্ছে।
কিন্তু সাহস করে কেউ এগিয়ে আসলো না। লাফাঙ্গা তার মাসি বাড়ি থেকে ফিরতেছিলো। লাফাঙ্গা গাড়ি থামিয়ে মত খরে সাথে মারপিট শুরু করলো। মদ খোর দের এমন মার দিল বাপের জনমও এই মার খায়নি তারা সবাই তার পায়ে ধরে মাফ চাইতে লাগলো।
লাফাঙ্গা বলল যে অন্যায় করছিস তার কাছে মাপ চা। চৈতি তাদেরকে মাফ করে দিলা
এবং লাফাঙ্গা কে জড়িয়ে ধরে বলল তুমি আমাকে নতুন জীবন দান করলা আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি অনেক আগে থেকেই কিন্তু বলিনি। আমাকে ছেরে কোনদিনও যাবে না।